প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, তৈরি পোশাকসহ অনেক খাতে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও সামগ্রিকভাবে পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে চীনে পণ্যের রফতানি বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশে জ্বালানি, অবকাঠামোসহ উদ্ভাবনী শিল্পে আরও বেশি চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের অর্থনীতির সাম্প্রতিক উন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আগামী সাত মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতেও পারে, আবার ব্যর্থ করতেও পারে।
সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলেছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক পথে রয়েছে।
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ২০২৪ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বিশ্বে 'মডেল' বলে আখ্যায়িত করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।ওয়াশিংটন ডিসির রিজ কার্লটন হোটেলে শনিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একেএম আবদুল মোমেন।
করোনা ভাইরাস মহামারির প্রকোপ কাটিয়ে বাংলাদেশ যখন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই শুরু হয় ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। যার কঠিন প্রভাব পড়ে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের অর্থনীতির ওপর।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ শক্তিশালী অবস্থানে থাকায় উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।